Breaking News

কোলাঘাট থানার কাঁউরচন্ডী গ্রামে দাম্পত্য কলহের জেরে আত্মঘাতী স্বামী

প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, নিউজ অনলাইন: 
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট থানার কাঁউরচন্ডী গ্রামের সুব্রত দাসের সাথে বিয়ে হয় গোবরা গ্রামের সুপর্ণা দাসের সাথে। দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল সুব্রত এবং সুপর্ণার। এরপর সুব্রত ও সুপর্ণার সংসারে  কোল জুড়ে আসে  এক ফুটফুটে সন্তান। বেশ কয়েকবছর কাটার পর সুব্রত সাথে সুপর্ণার তিক্ততা শুরু হয়। বেশ কয়েকদিন আগে সালিশি সভায় সুব্রত সাথে সুপর্ণার তিক্ততা মিটেয়ে দেয় গ্রামের মোড়ল।  কিন্তু এরপরেও সুব্রত তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ করেন সুপর্ণা। সুপর্ণার অভিযোগ যে গতকাল অর্থাৎ বুধবার রাতে সুপর্ণাকে  সুব্রত মারধোর করে বলে অভিযোগ করেন। বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ে এরপর গভীর রাতে সুব্রত গলায় কাপড় জড়িয়ে আত্মহত্যা করে বলে অভিযোগ করেন সুব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা। সুপর্ণার অভিযোগ গ্রামের সকলকে ডাকলেও কেউ আসেনি। বাধ্য হয়ে বাপের বাড়িতে খবর দেয় সুপর্ণা। এরপর বাড়ি থেকে ছুটে আসে সুপর্ণার বাবা-মা ও বোন। সুপর্ণার বাবা এসে পুলিশে খবর দেন। গভীর রাতে পুলিশ এসে সুব্রতর দেহ থানায় নিয়ে আসে বলে অভিযোগ করেন সুব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা। সকালে এলাকাবাসীর চড়াও হয় সুব্রতর বাড়িতে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করে যে রাতের অন্ধকারে কাউকে না জানিয়ে থানায় যোগাযোগ করেন সুপর্ণার বাপের বাড়ির আত্মীয়-পরিজন। থানার পুলিশ এসে কাউকে না জানিয়ে মৃতদেহ নিয়ে গিয়েছে। এরপর উত্তপ্ত হতে থাকে কাঁউরচন্ডী গ্রাম। সুব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা এবং সুপর্ণা বাবা ও মা ও বোনকে একটি ঘরে বন্দী করে রাখে এলাকাবাসীরা। সুপর্ণার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এলাকাবাসীরা বলে অভিযোগ করেন সুপর্ণা। এরপর কোলাঘাট থানার পুলিশ গেলে কোলাঘাট থানার পুলিশকে ঘিরে চলে  চরম বিক্ষোভ। যদিও কোলাঘাট থানায় এখনো কেউ অভিযোগ জানায়নি। এখনো পর্যন্ত এলাকায় উত্তপ্ত রয়েছে।

No comments