Breaking News

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই দেগঙ্গায় নৃশংস ভাবে খুন যুবক

নিউজ অনলাইন: করোনা আতঙ্কের মধ্যেই বাংলা নতুন বছরের ঠিক আগে দেগঙ্গায় নৃশংসভাবে  খুন যুবক।খুনের ধরণ থেকে স্পষ্ট  চলমান বাইকে থাকা বছর বত্রিশের  যুবক আতিয়ার রহমানের গলা কেটে খুন করা হয়।   সোমবার রাতের ঘটনায়  চাঞ্চল্য এলাকায়। অজাতশত্রু ও ভদ্র হিসেবে এলাকায় পরিচিত আতিয়ারকে কে বা কারা কেন খুন করল তা নিয়ে ধন্ধে থাকলেও সব দিক খতিয়ে দেখছে  দেগঙ্গা থানার পুলিশ।  

প্রাথমিক ভাবে সামনে এসেছে যে  সোমবার সন্ধ্যের বেশ কিছু পরে রাতের অন্ধকারে চলন্ত বাইক আরোহী ডাবব্যবসার পেশায় থাকা  আতিয়ার মোল্লাকে  গলা কেটে খুন করে পালিয়ে যায়  দুষ্কৃতীরা। ঘটনা রাত আটটা থেকে  রাত দশটার মধ্যে ঘটেছে বলেই মনে করছে পুলিশ। ঘটনা  প্রকাশ পেতেই  চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে দেগঙ্গা হাদিপুর ঝিকরা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরদার পাড়া এলাকায়। 

 স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সর্দার পাড়ার বাসিন্দা আতিয়ার মোল্লা পেশায় ডাব ব্যবসায়ী। নিউ ব্যারাকপুর এলাকায়  ডাবের ব্যবসা করে। লক ডাউন থাকলেও ডাবের চাহিদা রয়েছে।অসুস্থতা রোধে  ডাবের চাহিদা বাড়ছে। এর সাথে পুজো ও নববর্ষের জন্য ডাবের বাজার লক ডাউনের মধ্যেও চলছে।  প্রতিদিনের মত  ডাব বিক্রি করে এদিন সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বাড়িতে ফিরে আসে আতিয়ার ।উল্লেখ্য তার  তিন বছর ও পাঁচ বছরের দুটি মেয়ে এবং দশ  বছরের একটি ছেলে রয়েছে। বাড়িতে ফিরে  সন্ধ্যা আটটা নাগাদ বাজার ঘাট করে দিয়ে স্কুটি  নিয়ে বাড়ির সামনে রাস্তা ধরে হাদিপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের দিকে যাচ্ছিল। তারপরে আর বাড়ি ফেরেনি। রাত দশটা নাগাদ পথচলতি মানুষ তার রক্তাক্ত গলাকাটা মৃতদেহ রাস্তার উপরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেয়।খবর পৌছায় দেগঙ্গা থানায়। দেগঙ্গা থানার আইসি সুমিত মন্ডল ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পৌঁছায় ও  আতিয়ার মোল্লার  গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে বিশ্বনাথপুর হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলে মৃত আতিয়ারের স্কুটিটি চলন্ত অবস্থায় পড়েছিল।  তার পায়ের জুতো এবং চারিদিকে তাজা রক্ত পড়েছিল। এই ঘটনায় গোটা গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায় আতিয়ার মোল্লারা তিন ভাই। এলাকায় তাদের নামে কোন অভিযোগ নেই এবং কোন শত্রু নেই।  তবে কেন সে খুন হল সেই নিয়ে সন্দেহের দানা বেঁধেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  এই খুনের আসল রহস্য জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

No comments