নিউজ অনলাইন:  সাংবাদিক নিগ্রহে ধৃত তৃণমূল কর্মীর দু'দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।
৩০ জুন রাতে বারাসাত থানার সামনে পথচারীদের জোর করে জয় হিন্দ বলতে বাধ্য করছিল তৃণমূল কর্মীরা। রাজি না হওয়ায় তৃণমূল কর্মীরা পথচারীদের বেধড়ক মারধর করে। সেই ছবি তোলার সময় তৃণমূল কর্মীরা চার সাংবাদিককে মারধর করে। দীপঙ্কর ভৌমিক নামে এক সাংবাদিক মুখ ফেটে রক্তাক্ত হন। তারপর সোমবার দিনভর বারাসতে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ হয়। জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তীকে চার ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয়। বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিশ্বচাঁদ ঠাকুর জেলাশাসকের দপ্তরে এসে সাংবাদিকদের সামনে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। রাতেই সুদীপ প্রামাণিক নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। সুদীপের বাড়ি বারাসত পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবপল্লিতে। ডাকনাম বাপি। আগাগোড়া তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চম্পক দে-র অনুগামী হিসেবে পরিচিত। সুদীপ প্রথম জীবনে মাছ বিক্রি করত। এখন সে ইমারতি দ্রব্যের সিন্ডিকেট কারবার শুরু করে। রবিবার রাতে সাংবাদিকদের মারধরে সে-ই ছিল সবার আগে। সোমবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ধৃতকে মঙ্গলবার বারাসত আদালতে তোলা হয়। মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু শূর তাকে দু'দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৪ জুলাই ফের তাকে আদালতে তোলা হবে।

0 comments:

Post a Comment

আয়লার স্মৃতিকে উসকে ধেয়ে আসছে "বুলবুল"

ঋত্বিক দাস, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:-ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করেছে প্রচণ্ড গতিতে ‘বুলবুল'। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় প্রায় ৯০কিলোম...

 
Top