Breaking News

বাড়ির সামনে মদের আসরের প্রতিবাদ করায় মার খেতে হল প্রতিবাদীকে

শিব শঙ্কর চ্যাটার্জি, নিউজ অনলাইন:  বাড়ির সামনে নিত্য মদের আসর বসানোর প্রতিবাদ করায় মারধোর করা হল প্রতিবাদকারী ও তার পরিবারকে।  মদ্যপের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে প্রতিবাদকারীর পরিবারের দুই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। পরে এলাকার মানুষজন রুখে দাড়ালে ওই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গতকাল রাত্রে ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহরের নিউমার্কেট এলাকায়।যদিও  খবর পেয়ে পরে  পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তে নামে।যদিও সে সময় পুলিশ ওই মদ্যপদের ধরার জন্য তল্লাশি জারি রাখলেও আজ সকাল অবদ্ধি তাদের খুজে পায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে যেহেতু মদ্যপ ও প্রতিবাদকারীরা নিজেরা আত্মীয়। তাই বিষয়টি পারিবারিক হিংসার ঘটনা না  আসলে মদের আসর বসানোর ঘটনা সে নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে বলে বালুরঘাট থানার  পুলিশ জানিয়েছে।এই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা। 

স্থানিও ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে কাল  রাতের বেলায় মদ খেয়ে এসে বন্ধুবান্ধব নিয়ে কাকার বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল বালুরঘাট শহরের নিউমার্কেট এলাকার  এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গেছে নিউমার্কেট এলাকার বাসিন্দা পেশায় মাংস ব্যবসায়ী বিকি রবিদাস ওরফে ভোলা রবিদাস দীর্ঘদিন ধরে তার বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে বাড়িতে মদের আসর বসায় এবং তার স্ত্রী এর উপর মারধর চালায়। এই নিয়ে তার সাথে তার কাকাদের প্রায় ঝামেলা লেগে থাকে। গত পরশু ভোলা রবিদাস আবার বাড়িতে মদের আসর বসালে তার কাকারা এর প্রতিবাদ করে। আর ঘটনার প্রতিবাদ হতেই ভোলা রবিদাস তার বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে তার কাকাদের ওপর আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় তার কাকাতো বোনের বুকে আঘাত লাগে এবং তার স্ত্রী এর হাত ভেঙে যায় বর্তমানে তারা বালুরঘাট জেলা  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অপর এক কাকা গুরুতর জখম হয় ভোলা রবিদাসের আক্রমণের ফলে বলে অভিযোগ। 

অভিযোগ এরপরে  ফের সোমবার রাত্রে  ভোলা রবিদাস তার বাড়ির সমুখ্যে মদের আসর বসালে পুনরায় তার কাকারা প্রতিবাদ জানায়। সেই সময় ভোলা রবিদাস আবার আক্রমণ করবার চেষ্টা করলে পাড়ার লোকেরাও রুখে দাঁড়ায় বলে জানা গেছে। ঘটনায় বেগতিক দেখে ভোলা রবিদাস তার বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যায়। এরপরে ভোলা রবিদাসের কাকারা বালুরঘাট থানায় ঘটনাটি জানালে পুলিশ প্রশাসন তদন্তে নামে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছে ভোলা রবিদাসের কাকা বিনোদ রবিদাস এবং আহত কিশোরীর মা সোমা রবিদাস।

No comments