Breaking News

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কৃষিদপ্তরের পক্ষ থেকে সরকার নির্ধারিত ধানবীজ বিক্রয়কেন্দ্র গুলিতে পর্যবেক্ষনে এলেন কৃষি আধিকারিকরা


প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, নিউজ অনলাইন: পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কৃষিদপ্তরের পক্ষ থেকে সরকার নির্ধারিত ধানবীজ বিক্রয়কেন্দ্র গুলিতে পর্যবেক্ষনে এলেন কৃষি আধিকারিকেরা।জানাগেছে রাজ্যসরকারের কৃষিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন (NFSM)প্রকল্পের মাধ্যমে  জেলার কৃষকদের জন্য আসন্ন খারিফ মরশুমে ধানচাষের জন্য বীজকেনার ক্ষেত্রে ভর্তু্কি দেওয়া হবে কৃষকদের।তবে সেগুলি জেলার প্রতিটি ব্লকের সরকার নির্ধাতিত বীজবিক্রয় কেন্দ্রগুলিথেকে।আর সেই প্রক্রিয়া ঠিকঠাক চলছে কিনা সে বিষয়ে আজ কোলাঘাট ব্লকের দেউলিয়া বাজার এলাকায় বীজ বিক্রয় কেন্দ্রে পর্যবেক্ষনে এলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কৃষিদপ্তরের আধিকারিক সহ কৃষি অধিকর্তা প্রশাসন( শষ্য সুরক্ষা) ড মৃনাল কান্তি বেরা এবং কোলাঘাট ব্লকের সহ কৃষিঅধিকর্তা নবকুমার বর্মন।এদিন যে সমস্ত প্রজাতির ধানের ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়া হবে সেই প্রজাতির ধানের গুনগত মান এবং কৃষকের কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে পর্যবেক্ষনে আসেন কৃষি আধিকারিকেরা।জানাগেছে কোলাঘাট ব্লকের জন্য দেউলিয়ার একটি বীজ বিক্রয়কেন্দ্র ও ক্ষেত্রহাট সমবায় কেন্দ্রে এই সুবিধে মিলবে এই সুবিধে।জেলার বিভিন্ন ব্লকে বেশ কিছু বীজ বিক্রয় কেন্দ্র থেকেও একই ভাবে এই ভর্তুকির সুবিধে মিলবে।এদিন কৃষি আধিকারিক মৃনাল বাবু জানান,এই ভর্তুকির জন্য কৃষকেরা নির্ধারিত দামেই প্রথমে দোকান থেকে কিনতে হবে কৃষকদের।এরসাথে প্রয়জনীয় নথি হিসাবে ব্যাঙ্কের পাসবইএর জেরক্স সহ জমা দিতে হবে দোকানে।এরপর ভর্তুকির টাকা কৃষকের ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে।তবে সে ক্ষেত্রে ধানের জাতের ওপর ভর্তুকি নির্ধারিত করা হয়েছে।যে বীজগুলির জাত ১০ বছরের পুরাতন, সেক্ষেত্রে ভর্তুকি পাবে কেজি প্রতি ১০ টাকা। আবার যে জাতগুলি ১০ বছরের মধ্যে সেই জাতের ধানের ক্ষেত্রে কেজি প্রতি ২০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে।তবে হাইব্রিড বা উচ্চফলনশীল সংশোধিত বীজের ক্ষেত্রে কেজি প্রতি ১০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে কৃষকদের।তবে সব ধান বীজই সংশোধিত। ফলে চাষের ক্ষেত্রে সংশোধিত বীজ বর্তমানে খুবই জরুরী ভালো ফলনের ক্ষেত্রে।মৃনাল বাবু আরো জানান,এই মুহুর্তে জেলায় প্রাথমিক ভাবে ১৩৫ মেট্রিকটন বীজ ধান বিক্রয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে জেলা কৃষিদপ্তরের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন( ধান) প্রকল্পে।প্রয়জনে আরো বাড়ানো হবে বীজধানের পরিমান।কৃষকেরা সংশোধিত উচ্চফলনশীল এই বীজের ক্ষেত্রে ১ কুইন্টাল পর্যন্ত কিনতে পারবেন।আর হাইব্রিড বীজের ক্ষেত্রে ৩০ কেজি পর্যন্ত কিনতে পারবেন।কৃষিদপ্তরের এই প্রয়াস যে কৃষকদের যে সুবিধে হবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

No comments