Breaking News

বিধাননগর পুর নিগমের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী যোগ দিল বিজেপিতে

সৌভিক সরকার, নিউজ অনলাইন: শুক্রবার সল্টলেকের দত্তাবাদের বিদ্যাধরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চা চক্রে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিধাননগর পুর নিগমের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৩০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী বিজেপিতে যোগ দেয়।


তিনি বলেন, পুলিশ কোনোদিন সহযোগিতা করে না। পুলিশ সহযোগিতা করবে ভেবে প্রোগ্রাম করি না। আমরা ঠিক করেছি এই সরকারের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সমস্ত এসডিও অফিসের সামনে ধরণা দেবো, বিক্ষোভ দেখাব সে জন্য প্রোগ্রাম করব। এর জন্য পারমিশনের দরকার নেই। পুলিশ নিশ্চই চাইবে না আইন শৃঙ্খলা সমস্যা আর তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাব আর পুলিশ পারমিশন দেবে সহযোগিতা করবে। আমাদের অধিকার আছে বিরোধিতা করার রাজনৈতিক অধিকার। সে জন্য এসডিও অফিসের সামনে বসে অবস্থান করব বিক্ষোভ দেখাব। পুলিশ প্রত্যেক দিন বাধা দেয়। আমরা অভ্যস্ত। পুলিশ পুলিশের কাজ করবে আমরা আমাদের কাজ করব।

অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন- নিয়ম করে প্রত্যেক সপ্তাহে অর্জুন সিং এর উপর অ্যাটাক করা হয়। তার বাড়িতে হামলা করা হয় এবং পুলিশ গিয়ে বিনা কারণে অর্জুন সিং এর বাড়ী ঢুকে হেরেসমেন্ট করে। গতকালও তাঁর বাড়ির সামনে বোমাবাজি হয়েছে দিনের বেলা, পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে। এটা অভ্যস্ত অর্জুন সিং এটাকে সামনা করার মতো হিম্মত রাখে এবং পুরো ভারতীয় জনতা পার্টি অর্জুন সিং এর পেছনে আছে। 

অনুব্রত মণ্ডল কে নিয়ে তিনি বলেন এটা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই বীরভূমের লোকেরা এটার উত্তর দেবেন।

বেসরকারি স্কুলে ফি বৃদ্ধি বিভিন্ন জায়গায় এখনও আন্দোলন চলছে তা নিয়ে তিনি বলেন এই সমস্যা সমাধান হবে না কারণ টিএমসি পার্টির সরকার এই স্কুলগুলোর থেকে প্রচুর টাকা নিয়েছে। সেজন্য তারা অন্যায় কাজ করলেও সরকার তার বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারবে না বলছেন এগুলো বেসরকারি স্কুল আমাদের কিছু বলার নেই। টাকা নেওয়ার অধিকার আছে সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নেই। আজকের লকডাউনে ওয়াইফাই বন্ধ সাধারণ মানুষের সমস্যায় পড়েছে সেখানে চার্জ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাই অভিভাবকরা ছাত্রদের পড়ানোর অসুবিধা হচ্ছে এটা অন্যায় দাবি নয়। সরকার এর মধ্যস্থতা করে সমস্যা সমাধান করা উচিত। কিন্তু এই সরকার সমস্যা সমাধান করে না বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সমস্যা হয়েছে ট্যাক্সি ভাড়া ব্যাপারটা হয়েছে এরকম একাধিক সমস্যা আছে তারা পালিয়ে যান কারন সবার থেকে টাকা নেন পার্টির লোকেরা। মানুষ বুঝতে পেরেছেন এটা কেবল কাটমানির সরকার, সিন্ডিকেটের সরকার তাই মানুষ তার সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করছেন। আমার মনে হয় শিক্ষাকে নিয়ে এরকম আন্দোলন ইত্যাদি বন্ধ হওয়া দরকার। শিক্ষার একটা পরিবেশ দরকার আছে যেখানে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ হবে।

No comments